ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা- ১ম পত্র
অধ্যায়-১ ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা
অধ্যায়-২ ব্যবসায় পরিবেশ
অধ্যায়-৩ একমালিকানা ব্যবসায়
অধ্যায়-৪ অংশীদারি ব্যবসায়
অধ্যায়-৫ যৌথ মূলধনী ব্যবসায়
অধ্যায়-৬ সমবায় সমিতি
অধ্যায়-৭ রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়
অধ্যায়-৮ ব্যবসায়ের আইনগত দিক
অধ্যায়-৯ ব্যবসায়ে সহায়ক সেবা
অধ্যায়-১০ ব্যবসায় উদ্যোগ
অধ্যায়-১১ ব্যবসায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার
অধ্যায়-১২ ব্যবসায় নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা- ২য় পত্র
অধ্যায়-১ ব্যবস্থাপনার ধারণা
অধ্যায়-২ ব্যবস্থাপনার নীতি
অধ্যায়-৩ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
অধ্যায়-৪ সংগঠিতকরণ
অধ্যায়-৫ কর্মীসংস্থান
অধ্যায়-৬ নেতৃত্ব
অধ্যায়-৭ প্রেষণা
অধ্যায়-৮ যোগাযোগ
অধ্যায়-৯ সমন্বয়সাধন
অধ্যায়-১০ নিয়ন্ত্রণ
Sunday, May 19

সোনালী ব্যাংক ডিপিএস রেট আপ টু ডেট ২০২৩

বাংলাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক লিমিটেড । যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে অনেক কাজ করে থাকে । সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক এই সোনালী ব্যাংক তাই এই ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকের আস্থাও অনেক বেশি । সোনালী ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের সেবা এদেশের জনগণকে ফ্রি দিয়ে থাকে । আর সবচেয়ে বড় ব্যাংক হওয়ায় এই ব্যাংকে টাকা জমা রাখাও অধিক নিরাপদ । তাই সঞ্চয় করতে চাইলে সবার প্রথম পছন্দ থাকে সোনালী ব্যাংক । আর এখানে ইন্টারেস্ট রেটও অন্যান্য ব্যাংকের তুলনাই বেশি থাকে । তাই সকলের পছন্দ সোনালী ব্যাংক ডিপিএস এর মাধ্যমে সঞ্চয় করা । সোনালী ব্যাংক ডিপিএস এর মাধ্যমে টাকা জমা করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে এই সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা থাকতে হবে আর এই পোস্টে সোনালী ব্যাংক ডিপিএস সম্পর্কে বিস্তারিত আপ টু ডেট তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করবো । 

 

ডিপিএস কি

ডিপিএস এর পূর্ণরুপ হলো- ডিপোজিট পেনশন স্কিম । এটি এক ধরণের সঞ্চয় স্কিম যার মাধ্যমে গ্রাহক প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা দেয় এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ একটি ভালো মোটা অর্থ গ্রাহক পেয়ে থাকে । এই স্কিম গ্রাহকদের তাদের জীবন সহজ করতে অবদান রাখে । 

কেন আপনি সোনালী ব্যাংক ডিপিএস হিসাব খুলবেন ?

১. নিরাপত্তা: তরল অর্থ ধরে রাখা নিরাপদ নাও হতে পারে । আর নিজের কাছে টাকা থাকলে যেকোন উপায়েই হোক তা আমাদের হাতে থাকে না কোন না কোনা কাজে খরচ হয়ে যায় । তাই অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইলে  আপনি সোনালী ব্যাংক ডিপিএস একাউন্ট খুলে টাকা জমা করতে পারেন ।

২. অবসর তহবিল: পর্যায়ক্রমে, দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় স্কিমগুলিতে অর্থ জমা করলে আপনার অবসরের সময় সেই টাকা কাজে লাগবে ।  আপনি যখন অল্প বয়স থেকে সঞ্চয় করা শুরু করবেন  এটি আপনাকে একটি বিশাল পরিমাণ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করবে যা আপনার অবসর গ্রহণের পরে ব্যবহার করতে পারবেন 

৩. দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা: যেহেতু বেশিরভাগ স্কিম সুদের গণনার ক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি সুদের ধারণা ব্যবহার করে, তাই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ আপনাকে অবিশ্বাস্য রিটার্ন দিবে । সোনালী ব্যাংক ডিপিএস স্কিম একটি ভালো অপশন ।

৪. ট্যাক্স সেভিংস: এই সেভিং স্কিমগুলো আপনি আপনার ট্যাক্স ফাইলে বিনিয়োগ হিসেবে দেখিয়ে ট্যাক্স রিবেট পেতে পারেন ।

৫. অপ্রত্যাশিত খরচ মেটাতে: একটি সঞ্চয় স্কিম একজন ব্যক্তি অপ্রত্যাশিত খরচ মেতাতে সাহায্য করে। এটি ব্যক্তিগত বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সহায়তা করে ।

৬. সঞ্চয়ের অভ্যাস তৈরি: সঞ্চয় একটি মানুষের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ সঞ্চয় মানুষকে অনেক বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করে তাই সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । নিয়মিত সঞ্চয়ে অংশগ্রহণের অভ্যাস একজন ব্যক্তিকে আর্থিক শৃঙ্খলা দেবে।

এই সোনালী ব্যাংক ডিপিএস স্কিম গুলোই সুদের হার ত্রৈমাসিক হয়ে থাকে অর্থাৎ তিন মাস অন্তর অন্তর সুদ আরোপিত হয় ।

সোনালী ব্যাংকে যেসকল ডিপিএস হিসাব খোলা যাবে : 

১. স্বাধীন সঞ্চয় স্কিম

২. সোনালী ব্যাংক ডেইলি প্রোফিট হিসাব

৩. এফডিআর 

৪. সোনালী ডিপোজিট স্কিম 

৫. এডুকেশনাল ডিপোজিট স্কিম

৬. সোনালী ব্যাংক মিলিয়নিয়ার স্কিম

স্বাধীন সঞ্চয় স্কিম

১. স্কিমের মেয়াদ: ৫ বা ১০ বছর।

২. মুনাফার হার: সঞ্চয়ী হিসাবের বিদ্যমান মুনাফা হারের অতিরিক্ত ৩% হারে মাসিক জমার উপর অর্ধবার্ষিক ভিত্তিতে মুনাফা প্রদান করা হবে । প্রতি মাসের দশ তারিখ যে পরিমাণ টাকা থাকবে তার উপর মাসিক ব্যালেন্স হিসাব করা হয়। মুনাফার উপর প্রচলিত উৎস কর এবং নির্ধারিত হারে আবগারী শুল্ক কর্তন করা হবে ।

৩. প্রাথমিক জমা: নূন্যতম ১০০০/- টাকা জমা দিয়ে হিসাব খুলতে হবে।

৪. মাসিক জমার পরিমাণ: মাসের যে কোন সময় যে কোন পরিমাণ টাকা হিসাবে জমা করতে পারবেন। তবে ছয় মাসে ন্যূনতম ৫০০/- টাকা জমা করতে হবে। অন্যথায় হিসাবটি বন্ধ হয়ে যাবে।

৫. হিসাব খোলার যোগ্যতা: ১৮ বছর বা তদুর্ধব বয়সের চুক্তি করার যোগ্যতা সম্পন্ন যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক নিজ নামে সোনালী ব্যাংক এর যে কোন শাখায় এ হিসাব খোলতে পারবেন। শুধুমাত্র ব্যক্তি নামে উক্ত হিসাব খোলা যাবে। এক নামে একাধিক হিসাব খোলা যাবে না। কোন প্রতিষ্ঠানের নামেও এ হিসাব খোলা যাবে না।

৬. হিসাব বিবরণীঃ প্রতি বছর জানুয়ারী/ জুলাই মাসে একবার কোন চার্জ ছাড়া হিসাবের বিবরণী প্রদান করা হবে। অন্যান্য সময় প্রচলিত হারে ফি প্রদান করতে হবে।

৭. নমিনী মনোনয়নঃ আমানতকারী এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তদীয় হিসাবের নমিনী নিযুক্ত করতে পারবেন।

৮. মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্বে হিসাব বন্ধ করা হলে/ আমানতকারীর মৃত্যু হলেঃ আমানতকারী ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট শাখা প্রধান বরাবর আবেদন করে স্বীয় হিসাব বন্ধ করতে পারবেন। তবে ন্যূনতম ৬ মাস পূর্তির পূর্বে হিসাব বন্ধ করলে কোন মুনাফা প্রদান করা হবে না। ৬ মাস পর মেয়াদোর্ত্তীণের পূর্ব পর্যন্ত বিদ্যমান সঞ্চয়ী হিসাবের মুনাফার অতিরিক্ত ১% হারে মুনাফা প্রদান করা হবে।

৯. ঋণ সুবিধাঃ এই হিসাবের মেয়াদ কমপক্ষে ২ বছর পূর্ণ হলে এর বিপরীতে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। হিসাবের স্থিতির সর্বোচ্চ ৮০% ঋণ প্রদান করা হবে। বিদ্যমান মুনাফা হারের ৩% বেশি সুদ আরোপ করা হবে।

১০. বিশেষ নির্দেশাবলীঃ 

ক.   এই হিসাবের বিপরীতে কোন চেক বই ইস্যু/ প্রদান করা হবে না।

খ.    আমানতকারীর মৃত্যুর পর হিসাব চালু রাখা যাবে না।

গ.    কোন অবস্থাতেই হিসাবের মেয়াদ পরিবর্তন যোগ্য নয়।

ঘ.    সরকার নির্ধারিত সকল চার্জ হিসাবধারীর নিকট থেকে আদায়যোগ্য।

সোনালী ব্যাংক ডেইলি প্রোফিট হিসাব

১. হিসাব খোলার যোগ্যতা: আঠার বৎসর বা তদুর্ধ বয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিস্ক সম্পন্ন যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক নিজ নামে অথবা যৌথ নামে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের বাংলাদেশে অবস্থিত যে কোন শাখায় এই হিসাব খুলিতে পারিবেন। শুধুমাত্র ব্যক্তি খাতে উক্ত হিসাব খোলা যাবে। কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ হিসাব খোলা যাবে না।

২. বিশেষ নির্দেশনা: 

  • কমপক্ষে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা দিয়ে এ হিসাব খোলা যাবে।
  • চেকের মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। 
  • স্থিতি কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা থাকতে হবে। দৈনিক যে কোন পরিমান অর্থ জমা বা উত্তোলন করা যাবে তবে নিম্নতম স্থিতি ২০,০০০ টাকা না থাকলে ঐ দিনের জন্য সুদ পাওয়া যাবেনা।
  • ৫% হারে দৈনিক স্থিতির উপর সুদরোপ করা হবে। তবে ২০,০০০ টাকার নীচে কখনো স্থিতি থাকলে ঐ মাসের জন্য কোন সুদ প্রদান করা হবেনা। 
  • অর্ধবার্ষিক ভিত্তিতে সুদ হিসাবায়ন ও আরোপ করা হবে। তবে হিসাবের মেয়াদ ৬ (ছয়) মাস পূর্ন না হলে সুদ প্রদান করা হবে না।

সোনালী ব্যাংক এফডিআর হিসাব

ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট (এফডিআর) হিসাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট মেয়াদে জমা রাখতে হয় । মেয়াদ শেষে মূল টাকার উপর সুদ আরোপ করে মূল টাকার সাথে যোগ করে পূনঃনবায়ন করা যায় অথবা টাকা উত্তলন করা যায় । 

সুবিধা: 

  • 99 বার পর্যন্ত মেয়াদপূর্তিতে স্বয়ংক্রিয় পুননবায়ন করার সুবিধা
  • আর্থিক চাহিদা মেটাতে FDR অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ঋণ সুবিধা।
  • সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের জন্য প্রধান সুদের হার দেয়।

মুনাফার হার: ব্যক্তি পর্যায়ে স্থায়ী / মেয়াদী আমানত এবং বিভিন্ন সরকারী/ বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, অবসরোত্তর পাওনাসহ বিবিধ পাওনা পরিশোধের লক্ষ্যে গঠিত তহবিল বাবদ রক্ষিত যে কোন পরিমাণ আমানতের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হার প্রযোজ্য। 

  • 3 Months < 6 Months Rate 6.33%
  • 6 Months < 12 Months Rate 6.34%
  • 12 Months < 36 Months Rate 6.35%

এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে 

  • 3 Months < 6 Months Rate 5.50%
  • 6 Months < 12 Months Rate 5.75% 
  • 12 Months 36 Months Rate 6.00%

সোনালী ডিপোজিট স্কিম (ডিপিএস)

ক) হিসাবের মেয়াদকাল : ৫ (পাঁচ বৎসর)

খ) মাসিক কিস্তির পরিমাণ : ৫০০ টাকা, কিংবা ইহার গুনীতক সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা

গ) সুদের হার : বার্ষিক ৬.৫০ শতাংশ (চক্রবৃদ্ধি হারে)

ঘ) কিস্তি প্রদানের তারিখ : প্রতি মাসের ১ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে যে কোন সময় দেয়া যাবে

ঙ) হিসাব খোলার নিয়মাবলী : ১৮বা তদূর্ধ্ব বয়সের সুস্থ যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারবে। হিসাব খোলার সময় গ্রাহকের সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি লাগবে। নমিনী বাধ্যতামূলক।

চ) কিস্তি খেলাপী হলে : মাসিক কিস্তি জমা দানে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত ফিসহ পরবর্তী মাসের কিস্তির সঙ্গে খেলাপী কিস্তি জমা দেয়া যাবে।

জ) মেয়াদপূর্তির পূর্বে হিসাব বন্ধ করতে হলে : গ্রাহক ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট শাখা বরাবর লিখিত আবেদন করিয়া স্বীয় হিসাব বন্ধ করতে পারবেন। এরূপ ক্ষেত্রে হিসাব বন্ধের বিপরীতে সার্ভিস চার্জ বাবদ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা আদায়যোগ্য হবে এবং নিম্নোক্ত নিয়মাবলী পরিপালনযোগ্য হবে :

  • হিসাব খোলার ১ (এক) বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হিসাব বন্ধ করা হলে শুধুমাত্র জমাকৃত মূল টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ১(এক) বছরের অধিক কিন্তু ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত ৪% হারে সরল সুদসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ৩ (তিন) বছরের অধিক কিন্তু ৫ বছরের
  • কম হলে ৫% হারে সরল সুদসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।

ঝ) ঋণসুবিধা : তাৎক্ষণিক নগদায়ন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০% । সুদের হার আমানত হিসাবে প্রদত্ত সুদ হারের ৩.০০ % উর্দ্ধে। তবে সর্বোচ্চ ৯%

ঞ) বোনাস সুবিধা : 

  • হিসাব খোলার পর থেকে কোন কিস্তি খেলাপী না হলে মেয়াদ পূর্তী শেষে নির্ধারিত হারে বোনাস প্রদান করা হবে।
  • বর্তমান সুদ হার ৬.৫০ % হিসাবে মেয়াদ পূর্তীতে হিসাব ধারী সুদ-আসল এবং বোনাস সহ অর্থ প্রাপ্য হবেন
  • নিয়মানুযায়ী প্রদেয় সুদ হতে Source Tax এবং সংশ্লিষ্ট হিসাব হতে Excise Duty কর্তন করা হবে।

৫. এডুকেশনাল ডিপোজিট স্কিম

ক) হিসাবের মেয়াদকাল : ১০ (দশ বৎসর)

খ) মাসিক কিস্তির পরিমাণ : ৫০০ টাকা, কিংবা ইহার গুনীতক সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা

গ) সুদের হার : বার্ষিক ৬.৫০ শতাংশ (চক্রবৃদ্ধি হারে)

ঘ) কিস্তি প্রদানের তারিখ : প্রতি মাসের ১ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে যে কোন সময় দেয়া যাবে

ঙ) হিসাব খোলার নিয়মাবলী : 

  • ১৮বা তদূর্ধ্ব বয়সের সুস্থ যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারবে। 
  • হিসাব খোলার সময় গ্রাহকের সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি লাগবে।
  • নমিনী বাধ্যতামূলক।

চ) কিস্তি খেলাপী হলে :মাসিক কিস্তি জমা দানে ব্যর্থ হলে নির্ধারিত ফিসহ পরবর্তী মাসের কিস্তির সঙ্গে খেলাপী কিস্তি জমা দেয়া যাবে।

ছ) পর পর ২(দুই) মাসের কিস্তি খেলাপী হলে : প্রতি ১০০.০০ টাকা কিস্তির প্রতি মাসে সুদ ১.০০ টাকা এবং পুনঃচালুকরণ ফি বাবদ প্রতি বারের জন্য প্রতি ১০০.০০ টাকায় ৫.০০ টাকা এবং ৬মাসের বেশী খেলাপী হলে জরিমানার অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি হিসাবে ১০০.00 টাকা আদায়পূর্বক ব্যবস্থাপকের অনুমোদনসাপেক্ষে হিসাবটি পুনরায় চালু করা যাবে

জ) মেয়াদপূর্তির পূর্বে হিসাব বন্ধ করা হলে: গ্রাহক ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট শাখা বরাবর লিখিত আবেদন করিয়া স্বীয় হিসাব বন্ধ করতে পারবেন। এরূপ ক্ষেত্রে হিসাব বন্ধের বিপরীতে সার্ভিস চার্জ বাবদ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা আদায়যোগ্য হবে এবং নিম্নোক্ত নিয়মাবলী পরিপালনযোগ্য হবে :

  • হিসাব খোলার ১ (এক) বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হিসাব বন্ধ করা হলে শুধুমাত্র জমাকৃত মূল টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ১ (এক) বছরের অধিক কিন্তু ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত ৪% হারে সরল সুদসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ৫(পাঁচ) বছরের অধিক কিন্তু ১০ (দশ) বছরের কম হলে ৬% হারে সরল সুদসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।

ঝ) ঋণসুবিধা :  তাৎক্ষণিক নগদায়ন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০%। সুদের হার আমানত হিসাবে প্রদত্ত সুদ হারের ৩.০০% উর্দ্ধে। তবে সর্বোচ্চ ৯%

ঞ) বোনাস সুবিধা : 

  • হিসাব খোলার পর থেকে কোন কিস্তি খেলাপী না হলে মেয়াদ পূর্তী শেষে নির্ধারিত হারে বোনাস প্রদান করা হবে।
  • বর্তমান সুদ হার ৬.৫০ % হিসাবে মেয়াদ পূর্তীতে হিসাব ধারী সুদ-আসল এবং বোনাস সহ অর্থ 
  • প্রাপ্য হবেন
  • নিয়মানুযায়ী প্রদেয় সুদ হতে Source Tax এবং সংশ্লিষ্ট হিসাব হতে Excise Duty কর্তন করা হবে। 

সোনালী ব্যাংক মিলিয়নিয়ার স্কিম

সোনালী ব্যাংক মিলিয়নিয়ার স্কিম খুলতে হলে যা জানতে হবে – 

ক) হিসাবের মেয়াদকাল : ৪ (চার) বছর থেকে ২০ (বিশ) বছর

খ) মাসিক কিস্তির পরিমাণ : নিচের তালিকা মোতাবেক ৪ (চার) বছর থেকে ২০ (বিশ) বছর মেয়াদী বিভিন্ন কিস্তি মেয়াদ পূর্তিতে টাকার পরিমাণ 

গ) সুদের হার : বার্ষিক ৬ থেকে ৭.০০ শতাংশ (চক্রবৃদ্ধি হারে)

ঘ) কিস্তি প্রদানের তারিখ : প্রতি মাসের ১ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে যে কোন সময় দেয়া যাবে

ঙ) হিসাব খোলার নিয়মাবলী :

  • ১৮বা তদূর্ধ্ব বয়সের সুস্থ যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারবে।
  • হিসাব খোলার সময় গ্রাহকের সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি লাগবে।
  • নমিনী বাধ্যতামূলক।

চ) কিস্তি খেলাপী হলে :

  • মাসিক কিস্তি জমা দানে ব্যর্থ হলে পরবর্তী মাসের নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রতিটি খেলাপি কিস্তির জন্য শতকরা মাসিক ২.০০ টাকা হারে জরিমানা প্রদান স্বাপেক্ষে হিসাবটি নিয়মিত করা যাবে। ২ মাস পর্যন্ত গ্রাহক এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
  • একাধিক্রমে কোন হিসাবের মাসিক কিস্তি ২ মাসের অধিক এবং ৬ মাস পর্যন্ত খেলাপি হলে হিসাবটি চালু রাখার জন্য গ্রাহকের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত হারে (শতকরা মাসিক ২.০০ টাকা) জরিমানাসহ পুনঃচালুকরণ ফি ২৫০.০০ | টাকা প্রদান স্বাপেক্ষে হিসাবটি গ্রাহক পুনরায় নিয়মিত করতে পারবেন।
  • জরিমানার টাকা গ্রাহকের হিসাবে জমা করতে হবে এবং পুনঃচালুকরন ফি শাখার কমিশন হিসাবে জমা করতে হবে। কমিশন এর উপর ভ্যাট আদায়যোগ্য।
  • একাধিক্রমে ৬ মাসের অধিক কিস্তি জমাদানে ব্যর্থ হলে হিসাবটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

জ) মেয়াদপূর্তির পূর্বে হিসাব বন্ধ করা হলে : গ্রাহক ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট শাখা বরাবর লিখিত আবেদন করিয়া স্বীয় হিসাব বন্ধ করতে পারবেন এবং নিম্নোক্ত নিয়মাবলী পরিপালনযোগ্য হবে :

  • হিসাব খোলার ১(এক) বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হিসাব বন্ধ করা হলে শুধুমাত্র জমাকৃত মূল টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ১ (এক) বছরের অধিক কিন্তু ৩ (তিন)
  • বছর পর্যন্ত ৪% হারে সরল মুনাফাসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ৩(তিন) বছরের অধিক কিন্তু ৫ বছরের কম হলে ৫ % হারে সরল মুনাফাসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।
  • হিসাবের মেয়াদ ৫(পাঁচ) বছরের অধিক কিন্তু ১০ (দশ) বছরের কম হলে ৬ % হারে সরল মুনাফাসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে ।
  • হিসাবের মেয়াদ ১০ (দশ) বছরের বেশি, কিন্তু ২০ (বিশ) বছরের কম হলে ৬.৫০ % হারে সরল মুনাফাসহ জমাকৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে।

ঝ) ঋণসুবিধা : তাৎক্ষণিক নগদায়ন মূল্যের সর্বোচ্চ ৯০%। সুদের হার আমানত হিসাবে প্রদত্ত সুদ হারের ৩.০০% উর্দ্ধে। তবে সর্বোচ্চ ৯%

ঞ) বোনাস সুবিধা :

  • এই স্কীমে কোন ধরনের বোনাস সুবিধা নেই ।
  • বর্তমান সুদ হার ৬ থেকে ৭.০০ % হিসাবে
  • নিম্নোক্ত প্রক্রিয়ায় মেয়াদ পূর্তীতে হিসাব ধারী
  • সুদ-আসল সহ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ প্রাপ্য হবেন
  • নিয়মানুযায়ী প্রদেয় সুদ হতে Source Tax এবং সংশ্লিষ্ট হিসাব হতে Excise Duty কর্তন করা হবে।

তথ্যসূত্র: সোনালী ব্যাংক ইনফো

সঞ্চয় এর অভ্যাস গড়ার টিপস

আমাদের অনেকের জন্যই সঞ্চয় করাটা অনেক কঠিন । কারণ অনেকেই আমরা খরচ করতে বেশি পছন্দ করি । ভবিষ্যতের চিন্তা করি না, কিন্তু যেকোন কাজ করার আগে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে হয় । আপনারা যারা সঞ্চয় করতে ইচ্ছুক তাঁরা এই টিপ্সগুলো মেনে চললে সঞ্চয় করতে পারবেন আশা করি ।  

  • আপনার ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সীমিত করুন: ক্রেডিট কার্ড খরচে স্বস্তির অনুভূতি দিতে পারে, কিন্তু সুদের উচ্চ হার আপনার সঞ্চয়কে অল্প সময়ের মধ্যেই কমিয়ে দিতে পারে । তাই ক্রেডিট কার্ডের ব্যাবহার কমাতে পারলে সঞ্চয়ও বাড়বে ।
  • আপনার খরচের হিসেব রাখুন: আপনার মাসিক খরচের রেকর্ড রাখার চেষ্টা করুন এবং হিসেব রাখুন। 
  • সঞ্চয়ের জন্য একটি বাজেট তৈরি করুন: এটি প্রতি মাসের জন্য একটি বাজেট তৈরি করতে সহায়তা করে। আপনি সঞ্চয় লক্ষ্য করতে এবং ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করতে মাসের শুরুতে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। এটি আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ফোকাস করতে দেয়, অতিরিক্ত ব্যয়ের সম্ভাবনা হ্রাস করে এবং আপনাকে পরিকল্পনা অনুযায়ী সঞ্চয় করতে দেয়।
  • দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সরঞ্জামগুলিতে বিনিয়োগ করুন: আপনি যখন সঞ্চয় করেন, তখন আপনার সঞ্চয় সময়ের সাথে বাড়তে দেখাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পরিকল্পনায় আপনার অর্থ বিনিয়োগ করলে অনেক অতিরিক্ত সুবিধা থাকতে পারে। এই পরিকল্পনাগুলি একটি লাভজনক সুদের হার অফার করে 

আপনার পলিসির মেয়াদ শেষে আপনি পরিপক্কতার সুবিধা হিসাবে একটি গ্যারান্টিযুক্ত $ একক অর্থ প্রদান পাবেন যা আপনাকে আপনার পরিবারের আর্থিক ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সহায়তা করবে।